Wednesday, October 22, 2025

Govardhan Asrani

 A man who made us laugh


প্রবীণ অভিনেতা গোবর্ধন আসরানি, যাঁর হাস্যরস, অনবদ্য সময়জ্ঞান এবং অবিস্মরণীয় পর্দা-উপস্থিতি আমার মতো লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছে, তিনি আর নেই।

দীর্ঘ অসুস্থতার পর তিনি মুম্বাইয়ে মারা গেলেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। ভারতীয় চলচ্চিত্র জগৎ তার অন্যতম  প্রিয়, একজনকে দীপাবলির দিনটিতে বিদায় জানালো। 

আসরানির সাফল্য এসেছিল একাধিক কমিক চরিত্রের মাধ্যমে যা নানান আঙ্গিকের বুদ্ধিমত্তার মিশ্রণের অনন্য ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিল। তবে কিংবদন্তি ছবি "শোলে"-তে জেলার-এর চরিত্র তাঁর নাম চিরকালের জন্য সিনেমার ইতিহাসে খোদাই করে রাখবে। "জেল মে সুরঙ্গ....হাম আংরেজোঁ কা জামানে কে জেলর" স্মরণীয় লাইনটি- এই ডায়ালগ আমাদের মতো চলচ্চিত্র প্রেমিদের মধ্যে প্রায়ই প্রতিধ্বনিত হয়। আমি আমার যৌবনে ভীষন রকমই  সিনেমাপ্রেমী  ছিলাম এবং ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত  সেই অভ্যাস অব্যাহত ছিল। আমি শোলে ছবিটি ৩ বার প্রশস্ত পর্দায় যাকে বলে জায়ান্ট স্ক্রিন-এ, এবং ভিসিআর,বা ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডারে বেশ কয়েকবার দেখেছি। আসরানিজীর এই বিশেষ সংলাপটি আমার মনে গেঁথে আছে।

আসরানি সাহেবের অভিনয়ের মুন্সিয়ানায় তাঁর স্বতন্ত্র পদচিহ্ন রেখে গেছেন এবং এই একমাত্র ও অনন্য দিকটি  প্রতিভাবান একজন চরিত্রশিল্পীর সবচয়ে বড় স্বাক্ষর। আমি তাঁর নাম ও বাঙালি কৌতুকাভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মতো একজন কৌতুকাভিনেতাকে একই আসনের মর্যাদায় রাখব। ওঁর আত্মা শান্তিতে থাকুক।

Veteran actor Govardhan Asrani, whose infectious humour, impeccable timing, and unforgettable screen presence, has carved a permanent place in the hearts of millions, is no more.

The world of Indian cinema bids farewell to one of its most beloved, enduring figures, on the day of Deepavali. He passed away in Mumbai after a prolonged illness. He was 84.

Asrani's breakthrough came with a series of comic roles that showcased his unique ability to blend wit with relatibiliity. But it was his role as the jailor in the legendary film SHOLAY that forever etched his name in cinematic history.   The memorable line, "Jail mei Soorang....Hum Angrezon ka zamaane ke Jailor", continues to echo through the corridors of film lore. I was a film buff in my youth that continued till I was 60 years old. And I saw the movie in wide screen 3 times and in VCR, Video cassette recorder a number of times. This particular dialogue from the move remais etched in my mind.


Asrani sab left his distinct footprints and that's the sign of someone unique, secured and  talented. I reserve his name in the same pedestal as Bengali comedian Tulshi Chakraborty. I wish his soul rest in peace.

Monday, July 21, 2025

A teacher's touch or AI


 A teacher's touch or Artificial Intelligence 

When undergraduate or postgraduate students face difficulties with certain texts, concepts, tests projects and many other academic issues. AI helps or guides like a teacher. There is no doubt about its efficacy. But it's mostly mechanical. So it has limitations. Machines cannot replace humans where the warmth of human relationship matter.

A student needs knowledge. The process of acquiring knowledge involves intellectual exercise. AI can stimulate a student's intellect which is a matter of the head or brain. Intellect is the instrument of knowledge. 

But there is another aspect and effective domain to consider, i.e the heart. The heart is the instrument of inspiration. When both head and heart combine, great things happen. It is the actual teacher alone who can reach out to his students through his heart. He understands their strengths and weaknesses better than AI. His voice of wisdom and warmth of heart strengthen their minds to overcome the challenges of their academic life.

Swami Vivekananda said, "We want that education by which character is formed, strength of mind is increased, the Intellect is expanded and by which one can stand on one's feet."


This highest aim of education no machine alone can fulfil. For this, a physical classroom with the instrument of inspiration, i.e an actual warm- hearted teacher is indispensable. He delivers Intellect coupled with emotion of heart.

Had I not got respected Keshab Chandra Nag, Birendra Krishna Chakraborty or Rajendra Kanti Chaudhury, all warm-hearted erudite teachers, as my philosophers and guides, it would not have been possible to embark on a job after completion of postgraduate engineering at most prestigious laboratories of National importance like Dept. of Atomic Energy, giving up so called prestigious corporate jobs at a crucial moment of my life. The fundamental concepts of Mathematics, Physics and Chemistry were instilled in me by these great teachers. There was no AI at that time. Being an octogenarian, even today I'm quite capable of discussing science subjects with my grandson, a student of class X of a reputed school of Kolkata.

However, in the age of science and technology,  teachers must be techno-savvy to serve their students more effectively. 

Sunday, May 18, 2025

Chinese Drama in Arunachal

China's drama in Arunachal



China's latest attempt to rename places in Arunachal Pradesh is neither novel nor surprising. It is part of a pattern- a persistent low- cost campaign to assert symbolic sovereignty over Indian territory by altering names on paper map, even as the ground reality remains unchanged.

Changing names on a map is easy. Changing facts on the ground is not. Arunachal Pradesh was, is and will remain in India - not because New Delhi says so, but because it's people live it everyday. China's renaming is a political mirage ~ a tool of perception, not possession. India must treat it as such: not with alarm, but with clear-eyed resolve.

              অরুণাচল প্রদেশে চীনের নাটক

অরুণাচল প্রদেশের স্থানগুলির নাম পরিবর্তনের জন্য সর্বশেষ প্রচেষ্টা নতুন বা আশ্চর্যজনক নয়। এটি চীনের পুরোনো চিত্র নাট্যের একটা নমুনামাত্র - কাগজের মানচিত্রে নাম পরিবর্তন করে ভারতীয় ভূখণ্ডের উপর প্রতীকী সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য একটি অবিরাম সস্তার প্রচার, যদিও বাস্তব অপরিবর্তিতই রয়েছে।

মানচিত্রে নাম পরিবর্তন করা সহজ। স্থলভাগে তথ্য পরিবর্তন করা নয়। অরুণাচল প্রদেশ আমরা ভারতীয়রা ছিলাম, আছি এবং থাকব - নয়াদিল্লি বলেছে বলে নয়, বরং কারণ এখানকার মানুষ বহু বছর যাবত এই স্থলভৃমিকে উপভোগ করে আসছে। চীনের নাম পরিবর্তন একটি রাজনৈতিক মরীচিকা - ধারণার একটি হাতিয়ার, দখল নয়। ভারতকে এটিকে এমন ভাবেই ভাবতে হবে: শঙ্কার সঙ্গে নয়, বরং স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিতে।


Friday, May 9, 2025

পাকিস্তান আর কত নীচে নামবে !

 পাকিস্তান  আর কত নীচে নামতে পারে! আমাদের দেশের অসামরিক বিমান পরিবহন কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে যেখানে সীমিত পরিষেবা দিচ্ছে, পাকিস্তান সেখানে এই যুদ্ধের পরিস্থিতিতে, তাদের যাত্রীবাহী বিমান গুলোকে ব্ল্যাক আউট-এর রাতে লাহোর-করাচী রুট-এ তাদের সাধারণ নাগরিকদের জীবন পণ রেখে বিমান পরিষেবা চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য যদি ভারত থেকে ছোঁড়া কোনও ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র সেগুলোকে আঘাত করে ধ্বংস করে দিতে পারে এবং সারা বিশ্বে তারা ভারতকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে।

আরও মারাত্মক পাকিস্তানের সংসদে দাঁড়িয়ে তাদের পররাষ্ট্র/প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সদর্প ঘোষণা যে তাদের মাদ্রাসার ছাত্ররা হল তাদের সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স। আমাদের দেশ কিন্ত পাকিস্তানের কোনও সামরিক ঘাঁটি বা সাধারণ জনবহুল জায়গায় আঘাত হানেনি। এর থেকে লজ্জার কথা আর কিছু হতে পারে কি! তুরস্ক, তাদের অস্ত্র সজ্জায় আন্তরিক ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। আমেরিকা এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুপ করে বসে মজা দেখছে। এই যুদ্ধের বাজারে তাদেরও নখ-দাঁত বেরিয়ে পড়েছে। আসলে অস্ত্র ব্যবসায় মুনাফা লুটে নেবার জন্য তারা সমরাস্ত্রের সরঞ্জাম সাজিয়ে দোকান খুলে বসে আছে। এটাই শেষ নয়। পাকিস্তানের একজন উচ্চ পদাধিকারী মন্ত্রীমশাই রাত দু'টোর সময় সাংবাদিক সম্মেলন করে সাংবাদিকদের তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখে বলতে এতটুকু দ্বিধা না করে বলছেন যে, দেশের তেমন অবস্থা হলে লন্ডনে পাড়ি দেবেন।এই হল পাকিস্তানের কর্তাদের তাঁদের নাগরিকদের জন্য দায়বব্ধতার নমুনা। ছিঃ ছিঃ ছিঃ।

পাকিস্তানের ভবিষ্যত আমি চর্মচক্ষে দেখতে পারছি যে ইন্দিরা গান্ধীর সরকার পাকিস্তানকে দু'টুকরো করে, বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল। মোদীজী শাসিত ভারত এবার আরও দু'টুকরো করে ছাড়বে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের মধ্যে জুড়ে যাবে, আর পাকিস্তানের প্রতি বীতশ্রদ্ধ বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি তাঁদের নিজের স্বশাসিত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের ঘোষণা করবে। মনে রাখা দরকার যে খনিজ সমৃদ্ধ বালোচিস্তান জায়গাটি, অধুনা পাকিস্তানের প্রায় ৪৫ শতাংশ জায়গা জুড়ে আছে। আপনারা কী বলছেন। প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।

Friday, April 18, 2025

Definition of politics by Churchill

 Politics is the ability to foretell what is going to happen tomorrow, next week, next month and next year. And to have the ability afterwards  to explain why it didn't happen. 

রাজনীতি হলো  ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা। যা বলে দেবে আগামীকাল, আগামী সপ্তাহ, আগামী মাস এবং আগামী বছর কী ঘটতে চলেছে।এবং একই সঙ্গে পরবর্তীকালে, কেন ঘটেনি তা ব্যাখ্যা করার ক্ষমতা থাকা।

Thursday, March 27, 2025

Key take aways from NASA'S rescue mission

দুই মহাকাশচারীর মর্ত্যে প্রত্যাবর্তনের রোমাঞ্চকর কাহিনী পৃথিবীর মানুষকে কি উপহার দিল।


সুনিতা উইলিয়ামসের এবং বুচ উইলমোর-এর মহাকাশ অভিযান, দুই মহাকাশচারীর পৃথিবীতে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের ইতিবাচক দিকটিকে সমর্থন করে। তাদের প্রাথমিক মহাকাশযানের কারিগরি জটিলতার কারণে একটি সংক্ষিপ্ত পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের উদ্দেশ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়ে ওঠে। মহাকাশচারীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন ভিন্ন একটি মহাকাশযানে সম্ভব হয়। দ্বিতীয় মহাকাশযানটির নির্মাণের কারিগরী কৌশলে একাধিক মহাকাশ সংস্থা এবং বেসরকারি অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টা জড়িত ছিল। কাজেই, এই অভিযানটি একটি যৌথ মানবিক প্রচেষ্টার এমন একটি নিদর্শনের সাক্ষী, যেখানে সরকারি ঘেরাটোপের সীমানা ছাড়িয়ে অ-সরকারি অংশীদারিত্বের দায়িত্ব উঁচু মানের  বিজ্ঞান-প্রযুক্তির জগতে প্রধান অনুঘটকের কাজ করে। এখন এই ধরনের অভিযানের মূল বিষয়গুলি কী কী?

প্রথমত, এই উদ্ধার অভিযানে জড়িত সকলের মানবিক চেতনার নমনীয়তা, কর্মকুশলতার পেশাদারিত্ব এবং নিবেদিতপ্রাণ ধৈর্যের জন্য ধন্যবাদ। প্রশিক্ষণ না থাকলে মহাকাশচারীদের বিভিন্ন মানসিক ব্যাধি তৈরি হতে পারতো, কারণ মহাকাশযানের মধ্যে মাইক্রোগ্র্যাভিটি (পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণের ভগ্নাংশমাত্র) পরিবেশ মানুষের অভ্যস্ত পরিবেশের সাথে এতটাই প্রতিকূল ছিল।

প্রশিক্ষিত মহাকাশচারীরা যেভাবে তাঁদের প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন তা প্রমাণ করে চাপপূর্ণ পরিস্থিতিকে, শান্ত ও সংযত থেকেই কী ভাবে মোকাবেলা করতে হয়, শুধু তাই নয়, বরং প্রমাণিত হয় তাঁদের মধ্যে অধিকতর চাপ সহ্য করার জন্য প্রশিক্ষিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

মহাকাশচারীদের মূলত মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা ব্যায়াম করতেন এবং পড়াশোনা ও গবেষণার মাধ্যমে তাঁদের মস্তিষ্ক ও মনকে সক্রিয় রাখতেন। এটাও মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে পৃথিবীর মানুষের সাথে, কেবল নাসার বিজ্ঞানী এবং মনোবিজ্ঞানীদের সাথেই নয়, তাঁদের প্রিয়জনদের সাথেও, অবিরাম যোগাযোগ ছিল।

তাঁরা ভয়কে জয় করেছিলেন। এটাই মর্ত্যবাসীর কাছে প্রকৃত শিক্ষা। প্রতিদিন গণমাধ্যমের মাধ্যমে যে নিয়মিত নেতিবাচক খবর সরবরাহ করা হচ্ছিল, তার মধ্যে এই মহাকাশ ভ্রমণ মানুষের অন্বেষণের অসীম সম্ভাবনার দিক ইঙ্গিত করল। একই সঙ্গে প্রমাণ করল, প্রকৃতপক্ষে, আকাশই সীমা!

টীকা:

২০১৪ সালে আমেরিকার সঙ্গে রাশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের প্রভাবে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন-এ যাতায়াত ব্যাহত হতে শুরু করল। নাসা পরিকল্পনা করল মহাকাশে যাতায়াতের বাণিজ্যিক প্রকল্পের - কোনও বেসরকারি সংস্থা সংযোগকারী মহাকাশযান তৈরি করবে; নাসা তাদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকবে মহাকাশচারীদের আই এস এস-এ পাঠানোর বিষয়ে। নানান স্তরে বিচার-বিশ্লেষণ, পরীক্ষা-নিরিক্ষার মধ্যে দিয়ে দু'টি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হল - একটি হল বিমান নির্মাণ সংস্থা বোয়িং, আর অন্যটি হল ইলন মাস্কের স্পেসএক্স। বোয়িংয়ের তৈরি মহাকাশযানটির নাম হল স্টারলাইনার; স্পেসএক্স-এর মহাকাশযানটির নাম ক্রু ড্রাগন। ২০১৯-এ দু'টি সংস্থাই প্রস্তুতি নিতে শুরু করল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের। প্রথম সাফল্য পেল ক্রু ড্রাগন। ২০২০-এর মে মাসে দুই মহাকাশচারীকে নিয়ে সফল ভাবে উড়ে সেটি। ২০২৪-এর মধ্যেই আটটি সফল অভিযান সম্পন্ন করল।

ভারতীয় ক্ষেত্রেও গত কয়েক বছরে ভারত সরকার তথা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো  বেসরকারী উদ্যোগ এবং প্রযুক্তি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্য। প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান সংস্থা ছাড়াও প্রায় ২৫০ টি স্টার্ট-আপ সংস্থা ইসরোকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছে। এই সংস্থাগুলি অত্যন্ত দক্ষ, উজ্জ্বল এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত। 


 The lessons to human civilization on the Earth from the  exciting return of the trapped space astronauts.

Sunita Williams an Buch Wilmore mission to space supports the resonance of positive vibes in the safe return to Earth of two astronauts. What was intended to be a short test flight turned into a lengthy stay due to technical complications with their initial spacecraft. The astronauts' safe return by a different spacecraft than the one they arrived in, involving the coordinated efforts of multiple space agencies and private partners. Thus, The mission demonstrated a shared human endeavour, where partnerships are forged across borders, is the main catalyst in such global scientific achievement. Now what are the key take aways for such a mission.

First of all, Kudos to the resilience of the human spirit, professionalism and dedicated patience of everybody involved in this rescue mission.The untrained would potentially develop different psychological disorders because the environment was so alien to what humans otherwise are accustomed to.

The way the trained astronauts dealt with their situation highlights not just personalities that can deal with utterly stressful situation, calmly or with composure, but also that the mind has the potential to be trained to endure extreme stress. 

The astronauts were essentially trained to keep themselves mentally and physically fit. They exercised and they kept their brains and minds active through reading and research. It's also important to note that they were not left unattended. There was constant communication with people down on Earth, not just NASA scientists and psychologists but also their loved ones.

 They did not allow fear to set in. That's the lesson to learn. Among the volley of routine negativity supplied by the media everyday, this space odyssey points to infinite potential of human exploration. The sky is the limit, indeed!

Annotation:

The journey to the International Space Station began to disrupt due to the influence of Russia's geopolitical conflict with the United States. NASA plans to create a commercial project in space - a private company will create connecting spacecraft; NASA will be contracted with them about sending astronauts to ISS. At various levels, the agreement with the two companies through the analysis, examination and examination-one is Boeing, and the other is the SpaceX of Elon Mask. The name of the Boeing spacecraft is Starliner; The SpaceX spacecraft is named Kru Dragon. The two organizations started preparing for the experimental launch. The first success was crew dragon. It was successfully flown to two astronauts in May 2021. Eight successful operations were completed by 2021.

In the Indian context too, in the last few years, the Indian government and the Indian Space Research Organisation (ISRO) have joined hands with private sector and technology companies to advance space science. In addition to the established private technology and science companies, around 250 start-up companies have come forward to help ISRO. These companies are run by highly skilled, bright and established individuals.




Friday, March 21, 2025

কবিতা ফুটবল

আমাদের ফুটবল-ক্রিকেট প্রেমী নাতি তার স্কুল ম্যাগাজিনে একটা কবিতা পাঠিয়েছিল। সেটা ছেপে বেরিয়েছে।

 


Wednesday, March 19, 2025

সুনীতা এবং উইলমোর প্রত্যাবর্তনের গল্প

মহাকাশ চারীদের ঐতিহাসিক মর্ত্যে প্রত্যাবর্তনের সংক্ষিপ্তসার।

নাসার আটকে পড়া মহাকাশচারীদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন।

৫ জুন ২০২৪ বোয়িংয়ের নতুন স্টারলাইনার ক্রু ক্যাপসুল উৎক্ষেপণের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে  দুই মহাকাশচারী, সুনীতা উইলিয়ামস ও বুচ উইলমোর-এর ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্ত মহাকাশ স্টেশনে যাওয়ার পথে এত সমস্যা দেখা দেয় যে নাসা অবশেষে স্টারলাইনারকে খালি ফেরত নিয়ে আসে এবং পরীক্ষামূলক পাইলটদের স্পেসএক্সে স্থানান্তর করে, যার ফলে তাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি পর্ব ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ শুরু হয়।

বুচ উইলমোর এবং সুনীতা তাঁদের বিগত ন'মাসের বাসস্থানকে বিদায় জানিয়ে ইলন মাস্ক সংস্থা নির্মিত স্পেসএক্স ক্যাপসুলে চড়ে ২/৩ দিন আগে পৃথিবীর দিকে রওনা দিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন আরও দুই মহাকাশচারী, নিক হেগ এবং আলেকজান্ডার গ্রেবিওঙ্কিন।

আবহাওয়া অনুকূল থাকার ফলে ক্যাপসুলটি একেবারেই নির্দিষ্ট সময়ে (স্থানীয় সময় সন্ধ্য ৫.৫৭) আটলান্টিকের ফ্লোরিডা উপকূলে চারটি প্যারাসুটের সাহায্যে ভারসাম্য বজায় রেখে স্প্ল্যাশডাউন করে।

তাঁদের দুর্দশা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, এবং "কাজে আটকে থাকা", এই বাক্যাংশটিকে নতুন অর্থ দেয়। যদিও অন্যান্য মহাকাশচারীরা কয়েক দশক ধরে দীর্ঘ মহাকাশ ভ্রমণ করেছিলেন, তবুও কাউকে এত অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে হয়নি বা তাদের মিশনের দৈর্ঘ্য এত বেশি বাড়তে দেখেননি।

উইলমোর এবং উইলিয়ামস স্পেস স্টেশনের সাময়িক অতিথি থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ স্টেশন ক্রু সদস্যে রূপান্তরিত হন। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা করেন, সরঞ্জাম মেরামত করেন, এমনকি একসাথে মহাকাশে হাঁটাহাঁটিও করেন। নয়টি স্পেসওয়াকের উপর ৬২ ঘন্টা সময় ব্যয় করে সুনীতা মহিলা নভোচারীদের মধ্যে ক্যারিয়ারে সর্বাধিক সময় মহাকাশে হাঁটার একটি রেকর্ড স্থাপন করেন।


An essay on Historic Homecoming for NASA's struck astronauts.

Butch Wilmore and Sunita Williams bid farewell to the International Space Station, their home since last spring, departing aboard a SpaceX capsule alongside two other astronauts, Nick Hague and Alexandre Grabionkin.

The capsule undocked in the wee hours and aimed for a splashdown off the Florida coast by early evening, local time, weather permitting.

The two astronauts expected to be gone just a week or so after launching on Boeing's new Starliner crew capsule on 5 June, 2024. So many problems cropped up on the way to the space station that NASA eventually sent Starliner back empty and transferred the test pilots to SpaceX, pushing their homecoming into February this year. 

Their plight captured the world's attention, giving new meaning to the phrase "stuck at work." While other astronauts had logged longer spaceflights over the decades, none had to deal with so much uncertainty or see the length of their mission expand by so much.

Wilmore and Williams quickly transitioned from guests to full-fledged station crew members, conducting experiments, fixing equipment and even spacewalking together. With 62 hours over nine spacewalks, Williams set a record: the most time spent  spacewalking over a career among female astronauts.

Monday, March 17, 2025

Trump-Modi chemistry i



ট্রাম্প-মোদী রসায়ন 

মি. ট্রাম্পের জয় উল্লেখযোগ্য কিছু নয়। এটি আগামী বছরগুলিতে রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন করে রূপ দিতে পারে এবং মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির উপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে। দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের "আমেরিকা ফার্স্ট" অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যা কিছু ঘটবে তার প্রভাব সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলবে। ট্রাম্প সাহেবের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্রমবর্ধমান মার্কিন-চীন উত্তেজনার পাশাপাশি গভীর সুরক্ষাবাদে ভরপুর। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের পক্ষে ভূ-রাজনৈতিক কৌশল বজায় রেখে ভারসাম্যমূলক কাজটা বেশ কঠিন, বিশেষত যখন একদিকে ওয়াশিংটনের শুল্কের খাঁড়া এবং একই সঙ্গে উদ্যত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর করা।

ট্রাম্প প্রশাসনের  "আমেরিকা ফার্স্ট" পদক্ষেপ, ইউএসএআইডি ভেঙে দেওয়া এবং ডব্লিউএইচও, আইএমও এবং প্যারিস চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসায়  রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা  রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে বিশ্বব্যাপী প্রভাব ছেড়ে দিচ্ছে। এ সব তত্ত্ব উদাঘাটন করার মতো সন্ধানী আলো আমার চোখে নেই। তবে ইতিহাস বলছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি নির্ভরযোগ্য মিত্র দেশ নয় কারণ এই দেশটির নৈতিক অধঃপতন এতটাই হয়েছে, বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে যে যখন খুশি তারা বন্ধু দেশকে প্রত্যাখ্যান করে। ইউক্রেনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। এর আগে তারা কানাডা এবং মেক্সিকোকে ত্যাগ করেছিল। এক দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,  আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান যারা তার এক সময়ের পরম মিত্র দেশ বলে পরিচিত ছিল, তাদের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। ভারতকে বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে বিবেচনা করার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাস স্মরণ করতে হবে।

                Trump-Modi chemistry 

Donald Trump's victory is nothing short of remarkable. It can reshape the political landscape for years to come, and will have significant implications for US foreign policy. His "America First" stance is likely to be strengthened in the second term. The world will not remain untouched to whatever unfolds in th US. As Mr Trump's second term is loaded with deep protectionism alongside growing US-China tensions. India has a tough balancing task at hand - deepening trade ties with the US while tackling tariffs and geopolitical alignments.


 Analysts argue that the Trump administration's "America First" moves, and the dismantling of USAID, and the exits from WHO, IMO and Paris agreement have raised concerns that the US is ceding global influence to its rivals. History reveals that US is not a reliable ally as it abandons its partners whenever it wishes. Recent developments in Ukraine are a case in point. Earlier it had ditched Canada and Mexico. The US also betrayed Afghanistan and Pakistan, who were its allies a decade ago. India must recall the political history of the US before considering it as a trusted ally


Tuesday, March 11, 2025

ICC Champions Trophy 2025


 দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল খেলা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য ভারতবাসীর মতো টেলিভিশনের পর্দায় আমিও শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছি।

রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির মতো খেলোয়াড়রা, যারা তাদের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে পৌঁছেও ভারতকে এমন এক যুগে নিয়ে গেছেন যেখানে সাফল্যকে আমরা বিশ্ব শিরোপা দিয়ে পরিমাপ করি। তাদের নেতৃত্ব সংস্কৃতি এমন একটি দল তৈরি করেছে যা গভীরতা, দায়িত্ববোধ এবং আত্মবিশ্বাসের উপর জোর দেয়। নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও তরুণ খেলোয়াড়রা দলে জায়গা করে নেবেন এবং এই শিক্ষাগুলি এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ক্রিকেট বিশ্ব যখন পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং তার পরেও অপেক্ষা করছে, তখন প্রশ্নটি এই নয় যে ভারত আবার জিততে পারবে কিনা - বরং বলা ভাল অন্য কেউ তাদের থামাতে পারবে কিনা!



Like innumerable Indians scattered around the globe I have witnessed the champions trophy final  at Dubai International Stadium between India and New Zealand on Television screen from start to finish 

Players like Rohit Sharma and Virat Kohli, both nearing the twilight of their international career, have led India into an Era where success is measured by world titles. Their leadership has built a team culture that emphasises depth, accountability and confidence. Young players stepping into the squad will carry forward these lessons even as new challenges arise.

As the cricketing world looks ahead to the next T20 World Cup and beyond, the question isn't whether India can win again - but anyone else can stop them!

Thursday, March 6, 2025

Marital musings/ বিবাহের গান

               ৫৩ বছরের বিবাহ বার্ষিকী উদযাপন

১৯৭২ সালের মার্চ ১০ - ১৭ তারিখের মধ্যে তোলা এই ছবি 

আমাদের গল্পটা অপ্রত্যাশিতভাবে ১৯৭২ সালে একটি ট্রেন যাত্রা থেকে শুরু হয়েছিল, যা অবশেষে ৭ মার্চ, ১৯৭২ সালে বৈবাহিক সম্পর্কে পরিণতি পেয়েছিল। আমি তখন বম্বে থেকে কলকাতা এসেছি পাত্রীর খোঁজে। আমার বৌদি শিখাকে ট্রেনে দেখেছিল। আমাকে দেখে আসার জন্য বলল। ব্যস Love at first sight. She looked really beautiful at that time.

দীর্ঘস্থায়ী বিবাহের রহস্য কেবল প্রেমের বিষয় নয়; এটা যৌথ প্রক্রিয়া এবং জীবনের পথে একসাথে বেড়ে ওঠার বিষয়ও। আমাদের মধ্যে কোনও লিঙ্গ-নির্দিষ্ট ভূমিকা নেই। সাংসারিক ব্যাপার মোটামুটি শিখা-ই দেখাশোনা করে, আমি ওর পাশে থেকে জোগাড়ের কাজ করি। ও যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন আমি আগ্রহের সঙ্গে ওকে দায়মুক্ত করি; তবে সেটা নেহাতই ব্যতিক্রম। 

দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক মানে সবসময় সুখে থাকা-ও নয়। ঝগড়া হতো; এখনও তার ব্যতিক্রম নেই, কিন্তু এটা জীবনেরই অংশ। এটি ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ, তবে মানতেই হবে ও আমার থেকে অনেক বেশি ধীরস্থির এবং অবিশ্বাস্য রকমের শান্ত। তবে দিনের শেষে আমরা আমাদের পারস্পরিক ভাল এবং ত্রুটিগুলি অনায়াসে গ্রহণ করেছি এবং এই ভল-মন্দগুলো জীবনে এগিয়ে যাবার পথে অন্তরায় হয়নি।

সুখী বিবাহিত জীবনের জন্য সবকিছু বিলাসবহুলভাবে থাকা আবশ্যক নয়। বরং, ছোট ছোট জিনিস এবং ছোট  ছোট  মুহূর্তগুলিই গুরুত্বপূর্ণ এবং সেগুলো কেন্দ্র করেই,  আমাদের দৃঢ় বন্ধন আমাদের একসাথে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

আমার ছয় সদস্যের পরিবারে, গান-বাজনা কখনও থেমে থাকে না, এই পরম্পরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জায়গা করে নিয়েছে। গান-বাজনা আমাদের পৃথিবী। জীবনে শান্তিতে থাকার একটা উপায় আছে যে, আমরা যা ভালোবাসি সেটা আমরা সাগ্রহে  গ্রহণ করি এবং তার মধ্যেই নিজেদের হারিয়ে ফেলতে পারি। এবং সব সময় মনে হয়েছে এটা আমাদের পরিবারের আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। গান-বাজনা আমাদের এক সুতোয় বেঁধে ফেলেছে। আমাদের ছেলে, পুত্রবধূ এবং নাতি-নাতনিরা আমাদের জীবনের আলো।


                আমাদের ছেলে-বৌ নাতি নাতনি

একটি ভালো সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হল একে অপরকে সময় দেওয়া। আজকাল পৃথিবী এত দ্রুতগতির হয়ে উঠেছে, এবং মানুষ এত ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যে তারা পরিবার উপভোগ করতে পারে না। আগে, মানুষ তাদের সঙ্গীর সাথে সত্যিকার অর্থে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করত, কিন্তু এখন, ব্যস্ত সময়সূচী এবং সীমিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করার কারণে, মানুষ প্রতিশ্রুতি বজায় রাখতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। আমার মনে হয় আজকের প্রজন্ম জীবনের সোনালী মুহূর্তগুলো ভীষণ ভাবেই মিস করছে। আমরা জীবনের সমস্ত উত্থান-পতনের মুখোমুখি হয়ে একসাথে বেড়ে উঠেছি।

অতি সম্প্রতি আমার বৌদি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন, জরুরি ভিত্তিতে গুরুতর অস্ত্রোপচারের পরে শয্যাশায়ী হয়ে বিছানা নিয়েছিলেন। বয়সও অনেকটাই হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ইহলোকের মায়া কাটিয়ে সম্প্রতি চলে গেলেন।  অশৌচকালে, ও, মানে শিখা এবং আমার পুত্রবধূ একটা সিনেমা দেখতে গিয়েছিল। আমি বাড়িতে একা টেলিভিশনে অনুষ্ঠান দেখছিলাম। কিন্তু প্রথমবারের মতো জীবনে প্রতি মুহূর্তে ওর অনুপস্থিতি অনুভব করলাম। তখনই বুঝতে পারলাম যে, আমাদের সম্পর্ক আজ আর শুধু পারস্পরিক জীবনসঙ্গী নয়, নিজেদের অজান্তেই এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই সম্পর্ক থেকে একাত্মতার সম্পর্কে উত্তীর্ণ হয়েছে। এটা আমার কাছে ভীষণ ভাল লাগার জায়গা।

আজকের পৃথিবীতে, যেখানে সবকিছুই দ্রুতগতির, কারোরই অন্যদের জন্য সময় নেই এবং ক্রমাগত সমাজ মাধ্যমের খবর চালাচালির দাপাদাপিতে পরিবারগুলোকে বিভিন্ন দিকে টেনে নিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে, সেখানে আমরা সাংসারিক কর্তব্যে অগ্রাধিকার দিয়ে অন্য কিছু করেছি।

 সময় সত্যিই কালের নিয়মে তার প্রভাব বিস্তার করেছে। আমাদের দুজনেরই ভাঙাচোরা স্বাস্থ্য তারই স্বাক্ষর বহন করছে। (নীচের ছবিতে ধরা পড়েছে)  তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে পারস্পরিক মনের বন্ধনে আজও এতটুকু টাল খায়নি।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং যত্ন এমন জিনিস যা নিয়ে আলোচনা করার কোনও যায়গা নেই। আজকের পৃথিবীতে এই নীতিগুলোকে গুরুত্ব সহকারে আদৌ নেওয়া হয় না। আমরা অসংখ্য সমস্যা এবং অপ্রত্যাশিত পরীক্ষা কাটিয়ে ৫৩ বছর এ পৌঁছেছি।


🎉 Celebrating 53 Years of Love and marital musings 🎉

Today, Sikha and I celebrated our 53rd wedding anniversary. Reflecting on this incredible journey we've shared since March 7, 1972, my heart is filled with immense gratitude and joy.

To my dear Sikha, words cannot express how your unwavering dedication and commitment to our family have been the bedrock of our lives through all the sweet and sour moments. Each challenge we've faced has only strengthened our bond, and every joyful moment has added to the tapestry of our shared memories.

Photograph captured on the day of our Silver Anniversary, just 28 years ago.

Our story began unexpectedly from a train journey in 1972, which eventually blossomed into our marriage on March 7, 1972. Let me reflect on our 53 years of marital musings 

A long-standing relationship doesn't necessarily mean being happy all the time. There were quarrels, but it's part of life. Without it, life is incomplete. We have accepted the strengths and flaws of our partners and moved ahead in life. It's not necessary to have everything in a lavish way for a happy married life. Rather, It's the little things and the little moments that count and our strong bond propels us forward together.

The secret to a long-lasting marriage is not just about love; it's also about teamwork and growing together through life's voyage. There is no gender defined roles between us. When she falls sick I eagerly takes up her jobs and vice-  versa. 

Time has really taken its toll and gradual transformation took place in terms of health for both of us. Now we look rather battered (Recent Photograph shown below) But one thing is for sure that the bonding remains intact.

In my family of six members, melodies never fade, only pass from one generation to the next. Music is our world, but life has a way of taking what you love and testing how strong you can be. But life doesn't make it that simple, one bad turn after another before we know it. Music is our only constant. 

Our son, daughter-in-law and grandchildren are the lights of our  lives.

The most important basis for a good relationship is giving time to each other. Now a days, the world has become so fast-paced, and people have become so busy, that they can't enjoy family. Earlier, people used to make an effort to truly connect to their partners, In today's world, where everything is fast-paced, nobody has time for others and the constant digital distractions tends to pull families in different directions. People are facing difficulty maintaining the level of commitment. I think today's generation is missing out on the golden moments. We grew together facing all ups and downs of life.

Respect, trust and care are things that are non-negotiable. These principles are not taken seriously in today's world.

We have spent 53 years together overcoming numerous problems and unexpected trials. 

Very recently my asister in law who was suffering for a long time died and was completely bed ridden. She died after six months after a critical surgery. During the mourning period, she, I mean Sikha and my daughter in law went to see a movie. I was watching Television programs at home. Suddenly I realized that I'm all alone and immediately I could realize that our relationship had graduated from just life long partners to soulmates. 




Saturday, March 1, 2025

Ageing & Illness

 

জীবনের একটি নির্দিষ্ট সময় পর প্রতিটি ব্যক্তিকে বয়স এবং অসুস্থতার সাথে লড়াই করতে হয়। বয়স এবং অসুস্থতা একই মুদ্রার দু'টি পিঠ। বয়সের সূত্রপাত শুরু হয় পা থেকে।

After certain time in life every individual has to fight age and illness. Age and illness are two sides of the same coin. The process of ageing starts from the leg.

Thursday, February 20, 2025

অনুদান

 বেটি বচাও, বেটি পড়াও অভিযান ভারতের একটি সামাজিক প্রচার অভিযান, যার লক্ষ্য হ'ল কন্যা সন্তানের জন্য কল্যাণমূলক পরিষবা প্রদানের দক্ষতা বৃদ্ধি তথা সচেতনতা সৃষ্টি। এই প্রকল্পটির জন্য ১০০ কোটি টাকা প্রাথমিক তহবিলে প্রদান করা হয়েছিল। 

গত ১৬ জুলাই উত্তরপ্রদেশের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী হঠাৎই "রেউড়ি সংস্কৃতি"-বিরূদ্ধে সবিশেষ সোচ্চার হন। তিনি বোঝাতে চান, যে ভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে মানুষের উৎসবাদিতে রেউড়ি (রেউড়ি হল গুড়-তিলের মিশ্রণের পাক করা এক ধরনের উত্তর ভারতীয় মিষ্টি) বিলি করা হয়, সেভাবেই বিরোধী দলগুলো সরকারি অর্থ মানুষের মধ্যে বিলিয়ে এ দেশে "রেউড়ি সংস্কৃতির" আমদানি করছে। মোদ্দাকথা হল ভোট কেনার নামে ঘুষ দিচ্ছে। উক্তির মধ্যে কোথাও যেন একটা বিদ্রুপের গন্ধ আছে।

মুখ্যমন্ত্রী লাডলি বেহনা যোজনা হল মধ্যপ্রদেশ সরকারের একটি উদ্যোগ। এই যোজনার মাধ্যমে মহিলাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, স্বাস্থ্য, এবং পুষ্টির অবস্থা উন্নত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।এই যোজনার সুবিধা: মাসিক আর্থিক সহায়তা. 

লক্ষ্মীর ভান্ডার  প্রকল্প 

 এটা হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবারের মহিলা প্রধানদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল সমাজের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মহিলাদের ক্ষমতায়ন করা এবং স্বাবলম্বী করানো

এ রকম গুজরাতের প্রকল্পের নামকরণ নমো শ্রী, ওড়িষায় সুভদ্রা যোজনা -তালিকা দীর্ঘায়িত করা অর্থহীন। কিন্ত সবাইকে পথ দেখিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। 

লক্ষ করলে বুঝতে পারা যাবে যে, সব কটি প্রকল্পই হল মহিলাদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে করা। মনে রাখতে হবে যে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেখানো পথ, অর্থাত তারাই প্রথম শুরু করে। প্রত্যেকটি প্রকল্পকেই ভোটদাতাকে ঘুষ দেবার উদ্দেশ্যেই করা। পশ্চিমবঙ্গ একটু সম্মান জানিয়ে প্রকল্পের নামকরণ করেছে "লক্ষ্মীর ভান্ডার"

 এই অংশটুকু হল প্রবন্ধের মুখবন্ধ। এটা ঘিরেই আজকের আলোচনা। উচ্চ শিক্ষিত এবং উচ্চ পদস্থ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ( বহুদিন অবসর নিয়েছেন) কিংবা অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারী কলেজে অধ্যাপনা করা শিক্ষক, তাঁরা কেউ বলছেন এইভাবে বসিয়ে বসিয়ে খাইয়ে এই মানুষ গুলোকে পঙ্গু করে দিয়ে সরকার ভোট কিনছে। আমি তো জানি যে এই যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন তাঁরা দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে কাকভোরে উঠে কলকাতায় এসে গায়ে-গতরে খেটে ৩/৪ বাড়িতে কাজ করে আবার সন্ধ্যের ট্রেনে বাড়ি ফিরছেন। মাস গেলে হাতে আসে মেরেকেটে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। যাঁরা রান্নার কাজ করেন না তাঁদের জোটে সাকুল্যে ৭/৮ টাকার হাজার মতো।

১৮/০৪/২৪ তারিখে আনন্দবাজার পত্রিকায় লেখা "দুর্নীতিগ্রস্ত, তবু ভোট পান" শিরোনামে হুগলি রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক, চিরদীপ মজুমদারের লেখা একটি প্রবন্ধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওঁর কথাতেই লেখাটির সারমর্ম পাঠকের সামনে তুলে ধরছি।

সদ্য শেষ হওয়া দিল্লি নির্বাচনের ফল প্রকাশের প্রেক্ষিতে এই আলোচনা। এই নির্বাচনের প্রচারে দুর্নীতি নিয়ে বিস্তর কথা হয়েছিল। আম আদমি পার্টি (আপ) সরকারের আবগারি ও অন্যান্য দুর্নীতির কথা বিজেপি প্রচার করে; আপ-ও পোস্টার ছাপিয়ে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করে। এর পরে দু'পক্ষই পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতির খেলায় নামে। ভোটের ফল দেখাল, বিজেপির প্রতিশ্রুতি ভোটারদের বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছে। কারণ তাঁদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে অনুদানের অঙ্কটা বেশি ছিল।

ভোটদানের হারে স্পষ্ট যে, দিল্লির উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত সমাজের একটা বড় অংশ ভোটের দিন বুথমুখী হননি। স্পষ্টতই বিজেপির আশ্বাস আপ-এর মূল ভোটব্যাঙ্ক ও গরিব ও নিম্নবিত্ত মন ছুঁয়ে গেছে। একে অপরের বিরুদ্ধে করা দুর্নীতির প্রচার গৌণ, প্রতিশ্রুতির প্রচার মুখ্য হয়েছে। দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক হয়ে ওঠে, অথচ ভোটে তার প্রভাব পড়ে না! অর্থাত দুর্নীতি ও মানবিকতার মেলবন্ধন অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্ত এটা কি করে সম্ভব।  একটু কাটা-ছেঁড়া করে দেখা যাক:

 দু'টো সম্ভাব্য ব্যাখা হতে পারে। (১)  উপরতলার রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতির খবর নীচের তলার সাধারণ ভোটারের কানে পৌঁছোয় না। রাষ্ট্রব্যবস্থায় গণতন্ত্রের অভাব থাকলে বা মিডিয়া যথেষ্ট কার্যকর না হলে এই সম্ভাবনা আরও বাড়ে। কিন্ত যে রাজ্যে "এবিপি আনন্দ"-র মতো অনুসন্ধানমূলক সাংবাদিক সংস্থার (Investigative journalism agency) উপস্থিতি, সেখানে এই সম্ভাবনা প্রায় নেই। কাজেই আরও একটা সম্ভাব্য ব্যাখ্য আছে (২) দুর্নীতির সঙ্গে মানুষের আপস করে নেওয়ার মানসিকতা। যদি সরকারি সুযোগসুবিধা বা গণবন্টনের প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা বা দল সহায়ক হয়, যেটা এ রাজ্যের শাসক দলের মধ্যে কেউ কেউ হয়েছেন, তবে ভোটাররা তাঁকে ভোট দিতে দ্বিধা করেন না। 

এই রাজ্যের কথা ছেড়ে এবার তথ্যের ভিত্তিতে সমীক্ষার ফলাফল দেখে নেওয়া যাক সারা ভারতবর্ষ জুড়ে শুধু এ রাজ্যের সরকার-ই দুর্নীতিগ্রস্ত, না কি অন্যান্য দলও আছে!

বিশ্বব্যপী ৬৬ টি দেশে করা সমীক্ষার অঙ্গ হিসেবে ২০২৩ সালে ভারতের ৮টি রাজ্যে এই সমীক্ষা করা হয়। উত্তরদাতাদের কাছে দুর্নীতির মাত্রা সম্বধে মতামত চাওয়া হয়- ভারতে দুর্নীতি নেই মনে করলে উত্তরদাতা '১' বলবেন, এবং সর্বোচ্চ হারে দুর্নীতি আছে মনে করলে '১০' বলবেন। দুর্নীতির মাত্রা এর মধ্যবর্তী কোনও একটি স্তরে আছে বলে মনে করলে ২ থেকে ৯ এর মধ্যে যে সংখ্যাটি মানানসই বলে মনে হবে, সেটি বলবেন উত্তরদাতা। দেখা গেল, এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সব উত্তরদাতার দেওয়া নম্বরের গড় ৭.৭। অর্থাত, মানুষ মনে করেন যে, দেশে দুর্নীতির প্রভাব ও বিস্তার যথেষ্ট। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রা ৩১% পুরোপুরি ১০ দিলেন; অর্থাত, তাঁদের মতে, ভারতে দুর্নীতি লাগামছাড়া। ১ থেকে ৫ এর মধ্যে নম্বর দিলেন মাত্র ১৬% উত্তরদাতা; ৬ থেকে ১০- এর মধ্যে নম্বর দিলেন বাকি ৮৪%।

এই তথ্য থেকে আমরা কি বুঝলাম! ৮৪% শতাংশ ভোট দাতাদের মধ্যেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে সব রকম রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ আছেন। এ রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক দল তৃণমূল আর বিজেপি। কংগ্রেস, বামফ্রন্ট আর আই এস এফ কে আলোচনার মধ্যে আনছি না। কারণ মানুষ তাঁদের বহুদিন আগেই প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিন্ত তাঁদের কিছু সমর্থক তো ওই ৮৪% শতাংশের মধ্যেই আছে। অন্তত অঙ্ক তো তাই বলছে। আগেই প্রমাণ পাওয়া গেছে যে দুর্নীতি আর তথাকথিত মানবতা হাত ধরাধরি করে চলে। এখন তথ্য থেকে বোঝা গেল, যে দুর্নীতি অল্প-বিস্তর প্রত্যেক দল এবং তাদের সমর্থকদেরও আছে। অ্যাডভান্টেজ সব সময়ই শাসক দল, সে যে দলই শাসনে থাকুন না কেন। কারণ তাঁদের হাতে সরকারি প্রশাসন। 


 


 

Monday, February 17, 2025

রাষ্ট্রপ্রধানদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন।

 


রাষ্ট্রপ্রধানদের একটা ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা উচিত যাতে নাকি তাঁরা পৃথিবী নামক এই গ্রহের উপর কি ঘটে চলেছে সে ব্যাপারে একটা সম্যক ধারণা জন্মায়। সেজন্য common sense থাকাটাই যথেষ্ট, যা তথাকথিত বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে খুবই uncommon.

বিশ্বের জলবায়ু পরিস্থিতি রীতিমত উদ্বেগজনক। বহু ঢাকঢোল পিটিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের ২০১৫-র জলবায়ু সম্মেলন,  'কনফারেন্স অব দি পার্টিজ' বা সি ও পি- ২১ বা সংক্ষেপে "কপ"-এ স্বাক্ষরিত হয় প্যারিস পরিবেশ চুক্তি, যার শরিক হয় এই গ্রহের ১৯৬ টি দেশ। 

মূল লক্ষ্য, দুনিয়ার গড় তাপমাত্রাকে প্রাক শিল্প যুগের আগের তুলনায় দেড় থেকে দু'ডিগ্রী সেলসিয়াস বেশির সীমারেখায় বেঁধে রাখা যায়। তার জন্য প্রয়োজন জীবাস্ম জ্বালানির ব্যবহার ক্রমশ কমিয়ে ফেলা, তা হলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমে যাবে। কয়লা বা খনিজ তেলের মতো অনেক যুগের মরা ধন, পৃথিবী যাকে কবর দিয়ে রেখেছে, তা বার করে অনেকটাই মেটানো হয় দুনিয়ার শক্তির প্রয়োজন। একে বর্জন করা আদৌ সহজ নয়। তবে বিকল্প শক্তির কথা ভাবার এটাই আদর্শ সময়, এবং একই সঙ্গে উপযুক্ত পরিকল্পনার। সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি - দুনিয়া জুড়ে এই সব অপ্রচলিত পরিচ্ছন্ন শক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরিতে প্রয়োজন বিপুল অঙ্কের অর্থ। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল  দেশগুলোকে এই অর্থ জোগাতে হবে ধনী দেশগুলোকেই। কারণ, সে  ক্ষমতা তাদেরই আছে। বর্তমানে সল্পন্নতো দেশ হিসেবে বিবেচিত হয় দক্ষিণ সুদান, চাদ, নাইজার, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র এবং বুরুন্ডি। সেই সঙ্গে ঐতিহাসিক ভাবে, এবং এখনও গ্রিনহাউস গ্যাসের মাধ্যমে দুনিয়াকে বিষিয়ে দেওয়ার সিংহভাগ দায় তো তাদেরই। বাৎসরিক সিওপি সম্মেলনে তাই অর্থের জোগান নিয়ে দড়ি টানাটানি চলে ধনী-দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে।

পৃথিবীর স্বার্থপরতম দেশের নাম হল আমেরিকা। ওই দেশটা নিজেদের ভাল ছাড়া আর কারও ভাল চায় না। প্রেসিডেন্ট পরিবর্তনের তারতম্যে মাত্রা কম-বেশি হয়। যেমন জর্জ বুশের আমলে তিনি বলেছিলেন, "আমাদের দেশের মানুষকে কষ্টে থাকতে দিতে পারিনা, ফলে আমাদের অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন" যার অর্থ দাঁড়ায় যে তারা গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়িয়ে যাবে, আর সারা বিশ্ববাসী তার ফল ভোগ করবে, তারাও যে তার প্রভাব থেকে মুক্তি পাবে, এমনটাও নয়। এমন বুদ্ধির পরিচয় দিয়েই তিনি দু'টি টার্ম চালিয়ে গেছেন, ওসামা বিন লাদেনকে ধরতে পারেননি। পাকিস্তান আর্মির ঘেরাটোপে আবোতাবাদে লুকিয়ে কাটিয়ে দিল নিশ্চিন্তে। এরপর ওবামার সরকার চলল পরপর দু'টো টার্ম ২০০৮-২০১৭। লাদেন ধরা পড়ল এবং তার বিচার হল ওবামার আমলেই। পরের চার বছর শুরু হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের জমানা। ট্রাম্প অবশ্য জলবায়ু বিপর্যয়কে 'নিছক গুজব' বা 'গল্পকথা' বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন বহুবার। এ হল সেই ট্রাম্প, যিনি কোভিদ ভাইরাসের নিদান হিসেবে রোগীকে জীবাণুনাশক ইঞ্জেকশন দেবার উপদেশ দিয়েছিলেন। আরও কীর্তি আছে ট্রাম্পের ঝুলিতে। আমেরিকার ইতিহাসে তিনিই প্রথম কোনও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, যাঁকে ৩৪ দফা ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছিল নিউ ইয়র্কের এক নিম্ন আদালত। এই হ'ল আমেরিকার ভাবী প্রেসিডেন্টের পূর্বতন ইতিহাস, একই সঙ্গে রাষ্ট্রপ্রধানদের বুদ্ধির দৌড়। আসলে ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন দুঁদে ব্যবসায়ী। আর আমেরিকার সঞ্চিত জীবাস্ম জ্বালানির পরিমাণ পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ট্রাম্পের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতিতে, তিনি চান না, ওই দেশের অর্থ কোনও বাজে কাজে ব্যয় হয়। ফলে ২০১৭ তে প্রথম বার রাষ্ট্রপতি  হয়েই ট্রাম্প আমেরিকাকে বার করে আনেন প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে। কারণ, তাঁর মতে, এই চুক্তিতে আমেরিকার পুরো লোকসান।  এর ফলে আমেরিকাকে 'অহেতুকই' প্রচুর ডলার জোগাতে হচ্ছে রাষ্ট্রপুঞ্জের ভান্ডারে। আমার কলেজের এক বান্ধবী অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ওই দেশটিতে বসবাস করছেন। স্বভাবতই তাঁরা সেই দেশের নাগরিক, যদিও  ব্যক্তিগত ভাবে আমি তাঁদের দু'নম্বর নাগরিক বলেই মনে করি।  সদ্য শেষ হওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অব্যবহিত পরে সে আমাকে একটা ছবি পোস্ট করে। ছবিটিতে দেখাচ্ছে যে একটা আবর্জনার ট্রলিতে দাঁড়িয়ে আছেন জো বাইডেন এবং কমলা হ্যারিস, আর সেটিকে ঠেলে দিচ্ছেনট্রাম্প। এরপর কুশল বিনিময়ের ছলে টেলিফোনে কথা বলে আমার প্রতিক্রিয়া জানতে চায়। ট্রাম্পের নির্বাচন ফলাফলে আমার বিরূপ মন্তব্যে সে আমাকে অনেক জ্ঞানগর্ভ উপদেশ দিল, যার সারমর্ম "ট্রাম্প এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে মডেল অনুসরণ করবেন তাতে আমেরিকান মানুষ ভাল থাকবে"। এরপর আর কথা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রবৃত্তি হয়নি আমার। তবে মনে হয়েছে যে তৃতীয় বিশ্ব থেকে একজন "তথাকথিত উচ্চ শিক্ষিত " মানুষ ঐ দেশে বসবাস করে, মানসিকতা কি ভাবে পাল্টে ফেলেছে। আমার পরিচিত আত্মীয়দের এক-আধজন ওই দেশটিতে গিয়ে কালচার শক কাটাতে না পারায়, প্রথম ছ'মাস আমেরিকানদের বাপ-বাপান্ত করত। তারপর বুঝেছিলাম হয়তো যে ওই দেশের মাটি হল একটা ফাঁদ, যার নাম ডলার। ওই ফাঁদের আবর্তে একবার ঢুকে পড়লে আর বেরোনো যায় না। ফাঁদের আরও একটা জলজ্যান্ত উদাহরণ দেওয়া যাক। বছর ৭/৮ আগে, ট্রাম্প তখন সদ্য ক্ষমতায় এসেছে। কানশাস রাজ্যের ওলাথে নামে একটা জায়গায় একটি রেস্তোরাঁয় শ্রী নিবাস কুচিবোটলা নামে এক ভারতীয় ছাত্র তার স্ত্রী আর দু'একজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে খেতে ঢুকেছিল। হঠাৎই, আমেরিকান নেভির এক সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অফিসার,অ্যডাম পিউরিনটন. হাতে বন্দুক উঁচিয়ে তার দিকে তেড়ে গিয়ে হুমকির সুরে বলে, "Get out of my country" নিজেকে কোনও রকম সুরক্ষিত হবার সুযোগ না দিয়ে, কালক্ষেপ না করে শ্রী নিবাসের মাথা থেকে পা পর্যন্ত গুলিতে ঝাঁঝরা করে তাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করে। দুঃখের বিষয় হল এর পরেও শ্রী নিবাসের স্ত্রী ওই দেশেই থেকে যায়। আমেরিকার মাটি ফাঁদ ছাড়া আর কিছু বলা যায় কি?

ফিরে আসি প্রসঙ্গে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুননির্বাচন, বাকুতে অনুষ্ঠিত সিওপি২৯ সম্মেলনকে পূর্ণগ্রাসের মতো যে আঁধারে ঢেকেছে, তা বলাই বাহুল্য। বোঝাই যাচ্ছে, প্যারিস চুক্তি থেকে পৃথিবীর ধনীতম এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ আমেরিকার সরে যাওয়াটা শুধুই সময়ের অপেক্ষা যদিও, জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হয়ে তাঁর কার্যকালের প্রথম দিনেই আমেরিকাকে ফিরিয়ে এনেছিলেন প্যারিস চুক্তির চৌহদ্দিতে। আমেরিকার জীবাস্ম জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানোর কর্মসূচি এবং বৈশ্বিক জলবায়ু চুক্তি থেকে আমেরিকাকে আবার বার করে আনার কথা বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প হইহই করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয় সিওপি২৯ সম্মেলনটি।

ওভাল অফিসের দায়িত্ব নেবার অব্যবহিত পরেই তাঁর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা। ২০১৭ সালের মতই এবারও তিনি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে আমেরিকাকে প্যারিস চুক্তি থেকে বার করে এনেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সরে এসেছেন। 

আমরা এক চরম জলবায়ু যুগে বাস করছি - আমাদের চার পাশে বিপর্যয় ঘটে চলেছে। কিন্ত এর সমাধানে যথেষ্ট চেষ্টা করছি না। আমরা একে অস্বীকার করছি না, কিন্ত এক সর্বজনীন স্বার্থে একযোগে কাজ করার মতো সমাজ হিসেবেও আর আমরা গড়ে তুলছি না। এই কারনেই আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম কনফারেন্স অব পার্টিজ-এ আমরা এক যৌথ সহযোগী বিশ্ব গড়ে তোলার ইচ্ছাপ্রকাশের ভানটুকুকেও ঝেড়ে ফেলে দিলাম। ধনী বিশ্ব সরকারি ভাবে জলবায়ু-অনুদানের নামে সামান্য খুদকুঁড়ো ছুড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। এবং ঐতিহাসিক ভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এই বিশ্ব জানাল, অপর যে বিশ্বকে কার্বন-হীন উন্নয়নের পথটি নতুন করে ভাবতে হবে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে এবং ক্ষতির ধাক্কা সয়ে বেঁচে থাকতে হবে। এটা অপমান বইকি!

 এইখানেই অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন আর রাজনীতি পরস্পরের সঙ্গে মিশে যায়। বিশ্বায়নের প্রতিশ্রুতি ছিল যে, তা এক সমৃদ্ধতর এবং নিরাপদতর বিশ্ব গড়ে তুলবে। দেশগুলো পরস্পরকে আক্রমণ করবে না, কারণ নিজেদের স্বার্থেই তারা সহযোগিতার পথে থাকবে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন-এর আমলে আমেরিকায় পাশ হয় ঐতিহাসিক "ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্ট", যার ফলে অন্তত ৩৯০ বিলিয়ন ডলার ইতিমধ্যেই বিনিয়োগ করা হয়েছে বায়ুশক্তি, সৌরশক্তি ইত্যাদি বিকল্প পরিচ্ছন্ন শক্তির উৎপাদনে। ২০২৪-এর আমেরিকার ভোটটা যেন তাই এক অর্থে ছিল শক্তি উৎপাদনের দুই সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী নীতির টক্করও। ভোটে জয়-পরাজয় কোনও একটা বিচ্ছিন্ন বিষয়ে নির্ধারিত না হলেও, সংখ্যাগরিষ্ঠ আমেরিকার জনতা কিন্ত বেছে নিয়েছে ট্রাম্পকে। Non white ভোটারের সংখ্যাও, ভারতের অভিবাসীর সংখ্যা যুক্ত করে নেহাতই কম নয়, প্রায় ছয় মিলিয়ন। এতেই বুঝতে পারা যায় যে আমেরিকায় বসবাস করে তাঁরা নিজেদেরকে কতটা পাল্টে ফেলেছে।





Monday, February 10, 2025

স্বাক্ষরতা বনাম প্রকৃত শিক্ষিত

   


                   স্বাক্ষরতা বনাম প্রকৃত শিক্ষিত 

অনেক বছর আগে যখন ফ্ল্যাটবাড়ির বাসিন্দা হই, তখন সুবিধে-অসুবিধের কথা ভেবে, মনে হয়েছিল ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকা বেশ নিরাপদ এবং সুবিধের। মাসে-মাসে রক্ষণাবেক্ষণের টাকাটা চুকিয়ে দিলেই ল্যাটা চুকে গেল। সেই সময় আমার পুরোনো পাড়ার ২/১ জন বন্ধু বলেছিল, "ফ্ল্যাট সিস্টেমের বাড়িগুলো এক-একটা vertical slum, মানে উল্লম্ব বস্তিবিশেষ। খেয়োখেয়ি ঝগড়া লেগেই থাকে। । সংকীর্ণ স্বার্থের জন্য মানুষ অনেক নিচে নামতে পারে। একটু আঘাত পেয়েছিলাম। আজ ৪০/৪২  বছর পরে এসে বন্ধুর কথা মনে পড়ে গেল যে, সে কতটা দূরদর্শী ছিল। হালের কিছু অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নেওয়া যাক। 

 আর্থিক উপার্জনের তারতম্যে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরাই সাধারণত ফ্ল্যাট বাড়িতে বসবাস করেন। উচ্চ মধ্যবিত্তের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্যের তফাত ঊনিশ-বিশের। কিন্ত যাঁরা অর্থনৈতিক কৌলিন্যে সামান্য এগিয়ে থাকেন তাঁদের শরীরী ভাষা এবং কথ্য ভাষার ঝাঁঝ এতই কদর্য যে আবাসনের মিটিং-এ প্রতিবেশীর অনিচ্ছাকৃত অসাবধানতায় সংলগ্ন ফ্ল্যাটের সামান্য ক্ষতির জন্য যে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ শানানো যায়, তা না শুনলে বিশ্বাস করা যায় না

আমার মনে হয় অর্থের বিস্তার চিন্তার পরিধিকে ছোট করে আনে, মননের পরিধিকে খর্ব করে। আরও একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি যে তথাকথিত আলোকপ্রাপ্ত সমাজের থেকে উঠে আসা সমাজের মানুষের অভদ্রতা ও অবজ্ঞার নিজস্ব ভাষা আছে। এই শেষের শ্রেণীভুক্ত হাতেগোনা মানুষগুলোর চালচলন দেখলে বুঝতে পারা যায় যে তাঁরা সবসময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁদের অর্থনৈতিক স্বাচ্ছল্যের সাফল্যের  কথা ভেবে একটা গোপন প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভাগ্যিস হাতেগোনা, তাই সমাজটা এখনও নরক হয়ে যায়নি।

এই হাতে গোনা বিত্তবান মানুষের বাড়িতে ঢুকলেই বুঝতে পারা যায় অর্থানুকুল্যের ছাপ এবং একই সঙ্গে দুর্গন্ধ। আধুনিক আসবাবপত্রে মোড়া। এমনকি ফ্ল্যাটের কিছুটা অংশ ফলস্ সিলিং-এর। তার অদৃশ্য ফাঁকফোঁকর দিয়ে ঠিকরে পড়ছে আলো। কিন্ত তাঁদের বাড়িতে বই রাখার কোনও আলমারি চোখে পড়ে না। দৈনিক খবরের কাগজও তাঁরা পড়েন বলে মনে হয় না। আসলে স্বাক্ষরতা, আর প্রকৃত শিক্ষিত মানসিকতার মধ্যে অনেক তফাত। সাক্ষর প্রায় সবাই, কিন্ত ক'জনই বা শিক্ষিত। কাগজে কলমে উচ্চ শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা ঘরে ঘরে, কিন্ত তাঁরা কি প্রকৃত শিক্ষিত! Very few are educated, What we see most, are literate. এই ব্যাপারটা ঠিক বুদ্ধি দিয়ে বোঝা যায় না, বাহ্যিক ব্যবহারে এর প্রকাশ পাওয়া যায়। যে হাউজিং ফ্ল্যাটগুলো একটা বড় কমপ্লেক্সের মধ্যে আছে, তাদের বাসিন্দাদের মধ্যে এই ধরনের মানসিকতা চোখে পড়ে না। কিন্ত একটা ১০/১২/১৫/ বা ২০ আবাসিকদের আবাসনে এই ধরনের ঝামেলা লেগেই থাকে।

                    Educated vs Literate


Many years ago, when I lived in an apartment building, I thought about the pros and cons, and thought living in a self contained flat was quite safe and secured. As soon as my monthly dues are cleared, I felt peace in mind. At that time, a few of my friends of old neighborhood said, "The houses in the flat system are like vertical slums. There are constant quarrels. People can stoop very low for narrow interests." I was a little hurt. Today, after little more than four decades, I remembered my friend's words and how far-sighted they were. Let's share some recent experiences.


In terms of financial income, people from the middle and upper middle classes usually live in flats. The difference in economic inequality among the upper middle class is few and far between. But the body language and spoken language of those who are slightly ahead in economic status are so ugly that it is hard to believe the obnoxious and heated exchange among members used in housing meetings for minor damage to the adjacent flat due to unintentional carelessness of a neighbor.


Wealthy people are narrow minded in general. I think the wealth narrows down the thought process. Another thing I have noticed is that the people of the society that emerged from the so-called enlightened society have their own language of rudeness and contempt. If you look at the behavior of these handful of people belonging to this last category, you can understand that they are always carrying on a secret competition and showcases one upmanship with their neighbors, thinking about the success of their economic well-being. Fortunately, they are handful, so the society has not yet become hell.

As soon as you enter the homes of these few so called wealthy people, you can sense the impression of wealth and at the same time its stench. They are covered with modern furniture. Even some parts of the flats have false ceilings. Light shines through the invisible gaps. But there is no cupboard to keep books in their homes. They do not even seem to read the daily newspaper. In fact, there is a big difference between literacy and a truly educated mindset. Almost everyone is literate, but how many are educated? The number of highly educated people on paper and pen is in every house, but are they truly educated! Very few are educated, What we see, most are literate. This matter cannot be understood with the intellect, it is expressed in their apparent behavior.  This kind of mentality is not seen among the residents of housing flats that are in a large complex. But in a housing complex with 10/12/15/ or 20 residents, such problems persist.

Friday, January 31, 2025

75th Birthday, a milestone

 ৭৫ তম জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা

অনেক মানুষের সঙ্গেই মেলামেশা করেছি। সেই অভ্যাস আজও অব্যাহত। কিন্ত আজ এত বয়সেও প্রায় সব সময় তোমার ঠোঁটের উপর হাসির রেখা তোমার যৌবনের কথা আমাকে আজও স্মরণ করিয়ে দেয় ( যেটা ছবিতে ধরা পড়েছে)। কিন্ত ঠিক সেই হাসিই তো আর পাওয়া যাবে না। তাই স্মৃতিটুকুই থাক। এ বয়সেও সংসারের প্রতি বরং বলব রান্নাঘরের প্রতি তোমার টান এখনও অটুট।

রাতে ছেলে-বৌ, নাতি-নাতনি কি যেন প্রোগ্রাম করবে বলছে। সেটা না হয় সারপ্রাইজ রইল!

৭৫ তম জন্মদিন হলো এমন একটি মাইলফলক যা সুখ, প্রজ্ঞা এবং প্রিয়জনের সাথে ভাগাভাগি করা স্মৃতি উদযাপন করে।

আমার একমাত্র সত্যিকারের ভালোবাসাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা! তোমার সাথে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধ হওয়া আমার সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ"। ৭৫ বছরের জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা রইল।

Celebrating 75th Birthday



I have come across many people in my life. That habit continues even today. But even at this age, the smile that, almost always hovers over your lips reminds me of your youth (captured in the picture). Unfortunately that exact smile will never be found again. But I cherish the memory of the past years in my imagination. Even at this age, I must say your commitment towards the family, particularly, your attraction towards the kitchen remains unwavering.

 At night, your son, daughter-in-law, grandchildren are going to celebrate. What  their plan is still remains a surprise even to me!

A 75th birthday is a milestone that celebrates happiness, wisdom, and the memories shared with loved ones.

Happy birthday to my one and only true love! Growing old with you is my biggest blessing"




 

Wednesday, January 8, 2025

অদম্য বিজ্ঞানী, রাজাগোপাল চিদম্বরম

 


                         রাজাগোপাল চিদম্বরম 

স্টলওয়ার্ট:

সম্প্রতি ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচির অন্যতম স্থপতি ডঃ রাজাগোপাল চিদাম্বরম (1936-2025) পরলোকের পথে পাড়ি দিলেন। তিনি ছিলেন একজন অদম্য বিজ্ঞানী যাঁর অবদান ভারতের পারমাণবিক সক্ষমতা এবং কৌশলগত স্বনির্ভরতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে।

পোখরানে ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পারমাণবিক পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা এবং কাজ করা স্বল্প সংখ্যক কিছু বিজ্ঞানীদের মধ্যে তিনি অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর ভারত সরকারের অধীনে (২০০১-২০১৮) প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেছেন। পাকাপাকি ভাবে অবসরের পরে উনি মুম্বই-এর চেম্বুর অঞ্চলে বসবাস শুরু করেন।

ডঃ চিদাম্বরম একজন স্বপ্নদর্শী পরমাণু বিজ্ঞানী ছাড়াও ন্যাশনাল সুপার কম্পিউটার মিশন, কোয়ান্টাম টেকনোলজির মিশন সহ বেশ কয়েকটি মেগা বিজ্ঞান প্রকল্প সমর্থন করেছিলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তা একই মুদ্রার দুই পিঠ।

আমরা আন্তর্জাতিক মানের এই বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী,যিনি তাঁর পূর্ণ ক্ষমতা জাতির সেবায় উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।

Stalwart:

Recently, Dr. Rajagopal Chidambaram (1936-2025), one of the architects of India's nuclear programme, passed away. He was an indomitable scientist whose contributions significantly enhanced India's nuclear capabilities and strategic self-reliance.

He was one of the few scientists who led and worked on the nuclear tests in Pokhran in 1974 and 1998. He served as the Chief Scientific Advisor to the Government of India for 18 years (2001-2018). After his retirement, he settled in the Chembur area of ​​Mumbai.

Apart from being a visionary nuclear scientist, Dr. Chidambaram supported several mega science projects including the National Supercomputer Mission and the Mission for Quantum Technology. He stressed that national development and national security are two sides of the same coin.


We pray for the eternal peace of this distinguished physicist of international stature, who dedicated his entire life to the service of the nation.