Sunday, March 24, 2024

উপলব্ধি

 

আমি ফেসবুকের দেওয়ালে যেগুলো লিখি, সেগুলো আমার ব্লগ থেকে সরাসরি পাঠানো হয়, যাতে আমার নিজের কাছে একটা প্রতিলিপি থাকে। এ ছাড়া ব্লগের আরও একটা সুবিধে আছে- কতজন লেখাটা পড়েছে তারও একটা হিসেব থাকে। আমি দেখেছি যে দেওয়াল লিখনে প্রতিক্রিয়া যা পাওয়া যায়, সেটা ব্লগের হিসেবের থেকে অনেকটাই কম। প্রতিক্রিয়ার দু'টো উপায় হ'ল হয় একটা "লাইক" বা অন্য কোনও প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করা, অথবা লিখিত কোনও মন্তব্য বা দুটোই। আমার মতো অদেখা, অজানা এবং অখ্যাত কারুর লেখার প্রশংসা করাতে আমার থেকেও সাধারণদের আত্মসম্মানে হয়তো আঘাত করে, কারণ কিছু একটা লেখা খুব একটা অনায়াস কাজ নয়, তার জন্য যথেষ্ট চিন্তা-ভাবনার এবং অনুশীলনের প্রয়োজন আছে। কাজেই তাঁরা পড়ে মনে মনে হয়তো তারিফই করেন, কিন্ত সেটা জনসমক্ষে স্বীকার করতে লজ্জা পান। তুলনামূলক ভাবে অজানা/জানা অথচ অখ্যাত মানুষকে স্বীকৃতি দেওয়া তাঁদের কাছে নিজের পরাজয় বলে মনে করেন। এই ভাবনা থেকেই আমার এই উপলব্ধি।

উপলব্ধি

"অসাধারণের জন্য সাধারণ মানুষরা পথ ছাড়তে রাজি নয়, কারণ তাহলে অসাধারণের অস্তিত্বে সাধারণদের সাধারণত্বের দৈন্য বড়ই নগ্ন ভাবে  প্রকট হয়ে পড়ে"


Tuesday, March 19, 2024

Letters to Editor1

 সন্দেহের অবকাশ আছে

প্রশ্ন হল একজন বিচারক অবসর গ্রহণের অব্যবহিত পরে বা কর্মকাল শেষ করার কয়েক মাস আগে স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদান করা সমীচীন কি না ! এটা সর্বজনবিদিত যে, বিচারক এবং রাজনীতির সমন্বয় সর্বদাই বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণের ধারণাকে প্রভাবিত করবে। বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

রাজনীতিতে আসা কি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এলাকায় বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে না? এটা কি বিচারের নৈতিকতার নীতি লঙ্ঘন করে না এবং সামগ্রিকভাবে বিচার বিভাগের ক্ষতি সাধন করে না? সমতুল্য আরও একটা উদাহরণ দেওয়া যায়। সিবিআই-এর ডিরেক্টর অবসর নেওয়ার পরে যদি একটি বড় কোম্পানিতে যোগ দেন, যেটি সিবিআই-এর তদন্তাধীন ছিল, তাঁর প্রতিক্রিয়া কী হবে? এটা মানুষকে প্রশ্ন চিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয় এবং জনমানসে অবিশ্বাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করে, যে কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় বিচারক, যিনি সম্প্রতি বিজেপিতে যোগদান করেছেন, তিনি খুব সম্প্রতি বিচারের আসন অলঙ্কৃত করা সত্ত্বেও নিরপেক্ষ রায় দিয়েছিলেন কি না ?

রঙ্গনাথন শিবকুমার

চেন্নাই, ১৫ মার্চ।

Casting a doubt

It is well known that co-mingling of judges and politics will always harm the public perception of the judiciary as an institution that is supposed to be independent and non-partisan. The question is whether it is right for a judge to join active politics, either after retirement or by resigning from judicial office. Does not venturing into politics cast a doubt on the impartiality of the judge in politically sensitive areas ? Does this not violate the tenets of judicial ethics and harm the institution of the judiciary as a whole ? What will be one's reaction if the CBI director, after his retirement,  joins a big company, which was being subjected to investigation by the CBI? Will it not be foolish to believe that the Calcutta Highcourt judge, who recently joined the BJP, gave judgements that were unbiased and impartial while he was on the bench until very recently?

Ranganathan Sivakumar

Chennai, 15 March.


Sunday, March 17, 2024

দিল্লীশ্বরদের চোখে পশ্চিমবঙ্গ

 রাজনৈতিক উদ্বেগ https://www.anandabazar.com/editorial/our-opinion/our-opinion-economy-of-west-bengal/cid/1503664

আজকের আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় পাঠকের সামনে তুলে ধরলাম। দু'ধরনের বাঙালির জন্য এটা খুব একটা সুখপাঠ্য হবে না। প্রথমত যাঁরা কলকাতার বাইরে প্রবাসী বাঙালি তাঁদের সিংহভাগের কাছে আনন্দবাজার পৌঁছায় না, এবং তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের বদনামকে মনে মনে, (অবশ্যই এক জাতের ঈর্ষায়, যেটা বাঙালি হয়েও পশ্চিমবঙ্গে না থাকার দরুন হতাশা থেকে উদ্ভূত) আনন্দানুভূতি অনুভব করেন। আর দ্বিতীয়ত পশ্চিমবঙ্গের শহুরে অর্ধশিক্ষিত কিছু বাঙালি যাঁরা খবরের কাগজের দিকে "সন্দেশখালির" ঘটনার মতো কিছু খবরের দিকে মুখিয়ে থাকেন। বলে রাখা ভাল যে নিন্দে-মন্দের খবর কখনও অসত্য হয় না এবং সেই খবর আলোর গতিতে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে জুড়ে দিতে চাই এই সব বাঙালি মনে করেন "পশ্চিমবঙ্গ  প্রায় সব দিক দিয়েই পিছিয়ে, কারণটা তলিয়ে দেখার অবসর নেই।" আমি অবসর জীবন যাপন করি। আনন্দবাজার এবং The Statesman নিয়মিত পড়ি। তাছাড়া দেশ সম্বন্ধে আমার সম্যক একটা ধারণা আছে (পড়াশোনার সুবাদেই)

এটা একটা link পাঠালাম, Editorial-এর link. এটা mark করলে link-টা নীল হয়ে যাবে এবং ওপরে অনেকগুলো option আসবে। "open" option click করলে লেখাটা পাওয়া যাবে।

Thursday, March 14, 2024

উপলব্ধি ২

 উপলব্ধি:

সব জানার মতো গভীর অজ্ঞানতা বোধহয় আর কিছুই হতে পারে না। জানার সীমা তো থাকেই; থাকে না অজানার সীমা।