আমি ফেসবুকের দেওয়ালে যেগুলো লিখি, সেগুলো আমার ব্লগ থেকে সরাসরি পাঠানো হয়, যাতে আমার নিজের কাছে একটা প্রতিলিপি থাকে। এ ছাড়া ব্লগের আরও একটা সুবিধে আছে- কতজন লেখাটা পড়েছে তারও একটা হিসেব থাকে। আমি দেখেছি যে দেওয়াল লিখনে প্রতিক্রিয়া যা পাওয়া যায়, সেটা ব্লগের হিসেবের থেকে অনেকটাই কম। প্রতিক্রিয়ার দু'টো উপায় হ'ল হয় একটা "লাইক" বা অন্য কোনও প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করা, অথবা লিখিত কোনও মন্তব্য বা দুটোই। আমার মতো অদেখা, অজানা এবং অখ্যাত কারুর লেখার প্রশংসা করাতে আমার থেকেও সাধারণদের আত্মসম্মানে হয়তো আঘাত করে, কারণ কিছু একটা লেখা খুব একটা অনায়াস কাজ নয়, তার জন্য যথেষ্ট চিন্তা-ভাবনার এবং অনুশীলনের প্রয়োজন আছে। কাজেই তাঁরা পড়ে মনে মনে হয়তো তারিফই করেন, কিন্ত সেটা জনসমক্ষে স্বীকার করতে লজ্জা পান। তুলনামূলক ভাবে অজানা/জানা অথচ অখ্যাত মানুষকে স্বীকৃতি দেওয়া তাঁদের কাছে নিজের পরাজয় বলে মনে করেন। এই ভাবনা থেকেই আমার এই উপলব্ধি।
উপলব্ধি
"অসাধারণের জন্য সাধারণ মানুষরা পথ ছাড়তে রাজি নয়, কারণ তাহলে অসাধারণের অস্তিত্বে সাধারণদের সাধারণত্বের দৈন্য বড়ই নগ্ন ভাবে প্রকট হয়ে পড়ে"