পাকিস্তান আর কত নীচে নামতে পারে! আমাদের দেশের অসামরিক বিমান পরিবহন কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে যেখানে সীমিত পরিষেবা দিচ্ছে, পাকিস্তান সেখানে এই যুদ্ধের পরিস্থিতিতে, তাদের যাত্রীবাহী বিমান গুলোকে ব্ল্যাক আউট-এর রাতে লাহোর-করাচী রুট-এ তাদের সাধারণ নাগরিকদের জীবন পণ রেখে বিমান পরিষেবা চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য যদি ভারত থেকে ছোঁড়া কোনও ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র সেগুলোকে আঘাত করে ধ্বংস করে দিতে পারে এবং সারা বিশ্বে তারা ভারতকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে।
আরও মারাত্মক পাকিস্তানের সংসদে দাঁড়িয়ে তাদের পররাষ্ট্র/প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সদর্প ঘোষণা যে তাদের মাদ্রাসার ছাত্ররা হল তাদের সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স। আমাদের দেশ কিন্ত পাকিস্তানের কোনও সামরিক ঘাঁটি বা সাধারণ জনবহুল জায়গায় আঘাত হানেনি। এর থেকে লজ্জার কথা আর কিছু হতে পারে কি! তুরস্ক, তাদের অস্ত্র সজ্জায় আন্তরিক ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। আমেরিকা এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চুপ করে বসে মজা দেখছে। এই যুদ্ধের বাজারে তাদেরও নখ-দাঁত বেরিয়ে পড়েছে। আসলে অস্ত্র ব্যবসায় মুনাফা লুটে নেবার জন্য তারা সমরাস্ত্রের সরঞ্জাম সাজিয়ে দোকান খুলে বসে আছে। এটাই শেষ নয়। পাকিস্তানের একজন উচ্চ পদাধিকারী মন্ত্রীমশাই রাত দু'টোর সময় সাংবাদিক সম্মেলন করে সাংবাদিকদের তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখে বলতে এতটুকু দ্বিধা না করে বলছেন যে, দেশের তেমন অবস্থা হলে লন্ডনে পাড়ি দেবেন।এই হল পাকিস্তানের কর্তাদের তাঁদের নাগরিকদের জন্য দায়বব্ধতার নমুনা। ছিঃ ছিঃ ছিঃ।
পাকিস্তানের ভবিষ্যত আমি চর্মচক্ষে দেখতে পারছি যে ইন্দিরা গান্ধীর সরকার পাকিস্তানকে দু'টুকরো করে, বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল। মোদীজী শাসিত ভারত এবার আরও দু'টুকরো করে ছাড়বে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের মধ্যে জুড়ে যাবে, আর পাকিস্তানের প্রতি বীতশ্রদ্ধ বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি তাঁদের নিজের স্বশাসিত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের ঘোষণা করবে। মনে রাখা দরকার যে খনিজ সমৃদ্ধ বালোচিস্তান জায়গাটি, অধুনা পাকিস্তানের প্রায় ৪৫ শতাংশ জায়গা জুড়ে আছে। আপনারা কী বলছেন। প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।
No comments:
Post a Comment