অতি ধনী এবং অতি দরিদ্রের অর্থনৈতিক অসাম্যের ফাটল, যে কত গভীর তার একটা বিশ্লেষণ। অসাম্য কমিয়ে আনার কয়েকটা পন্থাও আলোচনা করা হয়েছে।_________________________________________________
একটা দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের আয়ের সমতার দিকে নজর রাখা, সেই দেশের সরকারের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ধনী এবং অপেক্ষাকৃত গরীব মানুষের আয়ের তফাত থাকবেই। কিন্ত সেই ফাঁক যেন এমন না হয়, যাতে ধনী মানুষ ক্রমশ ধনীতর হতে থাকে আর কম রোজগারের সাধারণ মানুষের আয় আরও কমের দিকে যায়। এই অসাম্য মাপার দু'টি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ আছে। এক, পিপিপি বা পারচেসিং পাওয়ার প্যারিটি এবং দ্বিতীয়টি হ'ল জিডিপি বা গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট। এছাড়াও হয়তো দেশের সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা বোঝার জন্য আরও অনেক সূচক আছে। তবে আমরা স্বল্প পরিসরের এই প্রবন্ধে উপরোক্ত দু'টি সূচকের পরিমাপের বিষয়ে আলোচনা করব এবং দেখাবার চেষ্টা করব কোন সূচকটি কোন দেশের জন্য বেশি কার্যকরী।
অর্থশাস্ত্রের তত্ত্বে আন্তঃদেশীয় মুদ্রার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা পরিমাপের একটি জনপ্রিয় সূচক হল, "পারচেসিং পাওয়ার প্যারিটি বা ক্রয়ক্ষমতার সাম্য বিচার করা।" একটা সহজ উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা একটু সহজ করে বোঝা যেতে পারে। ধরা যাক, দুনিয়ায় একটিমাত্র পন্য কিনতে পাওয়া যায়, তা হ'ল চাল। একটি দেশের ১০০ টাকায় যদি এক কেজি চাল কেনা যায়, আর অন্য দেশে দু'কেজি - তাহলে ডলারের অঙ্কে যদি দেশ দু'টির আয় সমান হয়, তবে ক্রয়ক্ষমতার সাম্য অনুসারে দ্বিতীয় দেশটির আয় প্রথমটির দ্বিগুণ, কারণ একই পরিমাণ টাকায় দ্বিতীয় দেশে দ্বিগুণ পন্য কেনা সম্ভব। গরিব দেশগুলোতে সাধারণত ধনী দেশের তুলনায় সস্তায় খাবারদাবার-বাসস্থান পাওয়া যায়। তাই ভারতের মতো দেশের জিডিপি সরাসরি ডলারের অঙ্কের চেয়ে পারচেসিং পাওয়ার প্যারিটির হিসাবে বেশি হয়।
অর্থনীতিতে আরও যে একটি সূচক গুরুত্বপূর্ণ, তা হ'ল জিডিপি বা Gross Domestic Product. এটি একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি নামেও পরিচিত। একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ঐ অঞ্চলের ভেতরে উৎপাদিত পণ্য ও পরিসেবার মোট বাজারমূল্যকে বোঝার জন্যও এই সূচকটি ব্যবহার করা হয়, যা অঞ্চলটির অর্থনীতির আকার নির্দেশ করে।
জিডিপি পরিমাপ ও বোঝার সবচেয়ে সাধারণ উপায় হচ্ছে ব্যয় পদ্ধতি:
- স্থূল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন = ভোগ + বিনিয়োগ + (সরকারী ব্যয়) + (রপ্তানি − আমদানি)
- শেষ অংশটিকে এককথায় বলা হয় বাণিজ্য ঘাটতি/ বাণিজ্য উদ্বৃত্ত। এদের বিয়োগফল যদি হয় ধনাত্মক তাহলে তাকে বলা হবে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত, আর ঋণাত্মক হলে বলা হবে বাণিজ্য ঘাটতি।
- এবার কর কাঠোমোর আলোচনায় কিছুটা আলোকপাত করা যাক। কর মোটামুটি দু'রকমের, প্রত্যক্ষ কর, যেমন আয়কর এবং পরোক্ষ কর জিএসটি। প্রত্যক্ষ করের আওতায় যাঁরা পড়েন তাঁদের সংখ্যা আদৌ তেমন কিছু নয়। একটা ছোট্ট উদাহরণ হল যে সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী ৮০ কোটি মানুষের জন্য ২০২৩ সালের শেষ পর্যন্ত বিনা পয়সায় রেশন বিলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অর্থাত ৬০% মানুষের অবস্থা দারিদ্র্য সীমার নিচে। তাঁদের আয়করের প্রশ্নও ওঠেনা। এছাড়াও নির্দিষ্ট সীমার আয়ের আওতায় আরও অনেক মানুষই আয়করের বাইরে। এসব হিসাব করে দেখা গেছে যে দেশের জনসংখ্যার মাত্র ৬%মানুষ আয়করের আওতায় পড়েন। কাজেই সরকারের মোট রাজস্ব আদায়ের একটা ভগ্নাংশ মাত্র আসে আয়কর থেকে। বাকিটা পরোক্ষ কর থেকে, যেখানে মুকেশ আম্বানীরা-ও যেমন আছেন, হাসমুখ শেখ বা রামা কৈবর্তরা-ও আছেন। এই দ্বিতীয় গোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা অনেক অনেকগুণ বেশি, কারণ দেশের সিংহভাগ নাগরিক-ই দরিদ্র।
বিপুল আর্থিক বৈষম্য কমাতে সম্পদ কর একটি অত্যাবশ্যক পদক্ষেপ। বৃহৎ ব্যবসায়ীদের উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সম্পদ কর ক্রেডিট দেওয়া অর্থাত বিনিয়োগের হার না বাড়ালে বাড়তি সম্পদের উপর প্রভূত কর বসানোর নীতি সাহসী সরকারের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
ধনীদের বাড়িতে রোজগারের খানিকটা সুষম বন্টন না হলে সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। সহজ ব্যাখ্যা হল, বড়লোক আরও অনেক বড়লোক হলেও আর কত বেশি খাবে ? নিশ্চয় তিনি বিনিয়োগ করে আরও খরচ করতে পারেন, যা বাজারে চাহিদা বাড়াবে। কিন্ত তিনি যদি বিনিয়োগ না করেন, শুধুই মুনাফার মুখ দেখতে চান আর সাম্রাজ্য বাড়িয়ে চলেন, তা হলে দেশের আদৌ যে কোনো উপকার হবে না তা বলার অপেক্ষা রাখে না! সরকার একটি সোজা হিসাব এখনই করে ফেলতে পারে - সরকার দেশের প্রথম ১০০টি সবচেয়ে সম্পদশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করল। তাদের সম্পদ বৃদ্ধির পরিমাণ যদি "x" হয় আর তারা যদি ওই একই সময়ে "y" পরিমাণ টাকা বা সম্পদ বিনিয়োগ করে থাকে কৃষি, শিল্প বা পরিষেবা ক্ষেত্রে, তা হলে 'y' আর 'x' এর অনুপাতটি হিসাব করতে হবে। যদি তা ১-এর চেয়ে বেশ কম হয়, তা হলে বোঝা যাবে যে, তাদের সম্পদ আহরণে দেশের তেমন উপকার হচ্ছে না। ছোট্ট পাটিগণিত ব্যবহার করে ব্যাপারটা বোঝানো যেতে পারো: (১) ধরা যাক বৃদ্ধির পরিমাণ ১০০(x) টাকা, ৫(y) টাকা বিনিয়োগ। তাহলে y/x= ০.০৫, অর্থাত তাঁরা তাঁদের আয়বৃদ্ধির মাত্র ৫ শতাংশ বিনিয়োগ করছেন, ৯৫ শতাংশ ঘরে তুলছেন। (২) এখন y যদি ৫ না হয়ে ৫৫ হয় তাহলে তাঁরা অনেকটাই বিনিয়োগ করছেন। প্রথম ক্ষেত্রের ব্যবসায়ীদের জন্য, তাদের ধনসম্পত্তির উপর কর বসিয়ে সে টাকাটা সরকার নিজেই বিনিয়োগ করতে পারে। যাদের y-এর পরিমাণ x-এর তুলনায় অন্যদের চেয়ে বেশ বেশি, তারা হয়তো সম্পদ কর দেওয়া থেকে অনেকটা ছাড় পেতে পারে। সরকার কি আদৌ এই হিসাবটি করতে চাইবে? আর সেই হিসাবমতো কড়া পদক্ষেপ করবে ?
আর্থিক বৈষম্যের অক্সফাম সমীক্ষা ভারতের জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থার উপর একটি চমকপ্রদ স্ট্যাটাস রিপোর্ট দিয়েছে বলে জানা গেছে। ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিরা দেশের সম্পদের ৪০ শতাংশের বেশি ভোগ করেন। ভারতে বিলিয়নেয়ারের বা অতিধনীর সংখ্যা ২০০০সালে ছিল ন'জন, ২০১৭ সালে ১০১ জন, ২০২০-২১ সালে ১০২ থেকে ২০২১-২২ সালে 166-তে দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যার নীচের অর্ধেক, সম্পদের মাত্র ৩ শতাংশের মালিক। এই অসাম্য বহুলাংশে কাঠামোগত। যেমন, দেশে জিএসটি বাবদ মোট যত কর আদায় করা হয়, তার ৪৬% আসে দেশের ৫০% মানুষের পকেট থেকে। আর, মোট জিএসটি আদায়ের মাত্র ৪ শতাংশ আসে ধনীতম দশ শতাংশ মানুষের থেকে। হিসেবটা খুবই সহজ - দরিদ্র মানুষের আয়ের সিংহভাগ যায় ভোগব্যয়ে, যেখানে ধনীদের আয়ের অনুপাতে তাঁদের ভোগব্যয় যৎসামান্য। বাকি টাকা তাঁরা হয় সঞ্চয় করেন, নয়তো লগ্নি। ভারতের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে যে, ধনীদের আয় যে ভাবে বেড়েছে, লগ্নির প্রবণতা ততখানি বাড়েনি। বাজার অনিশ্চিত, ফলে তাঁরা হাতের টাকা সঞ্চয় করছেন। আয়ের অনুপাতে ভোগব্যয়ের পরিমাণ যেহেতু দরিদ্র মানুষের বেশি, ফলে জিএসটির বোঝাও তাঁদের উপরই বেশি। কথাটি শুধু জিএসটির জন্য সত্য নয়, এমনকি শুধু ভারতের জন্যও নয়- যে কোনও পরোক্ষ করের ক্ষেত্রেই এই একই ঘটনা ঘটে। পরোক্ষ কর চরিত্রে রিগ্রেসিভ, অর্থাত কার আয় কম বা বেশি, এই করের হার তার উপরে নির্ভর করে না- গৌতম আদানি থেকে রামা কৈবর্ত, প্রত্যেকেই সমান হারে পরোক্ষ কর দিতে বাধ্য। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ কম রোজগারের মানুষের করের বোঝা অনেকটা বেশি। যাঁরা ধনী, তাঁদের থেকে বেশি হারে প্রত্যক্ষ কর আদায় করা যায়। কিন্ত এখানেই বর্তমান ভারতীয় অর্থব্যবস্থার দ্বিতীয় ত্রুটি। ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার কর্পোরেট করের পরিমাণ বহুলাংশে কমিয়ে দেয়।
আর্থিক অসাম্য অর্থব্যবস্থার পক্ষে কতখানি ক্ষতিকর, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। একটি মত হ'ল, অর্থব্যবস্থায় বৃদ্ধির হার চড়া হলে, এবং সব আর্থিক শ্রেণীর মানুষেরই আয়বৃদ্ধি হলে যদি খানিক অসাম্য বাড়েও, তাতে সমস্যা নেই। কিন্ত, ভারতের মতো দেশে, বিশেষত আর্থিক গতিভঙ্গের সময়, তীব্র অর্থনৈতিক অসাম্য গভীর বিপদ ডেকে আনতে পারে। তার একটি দিক হল, জীবনধারণের ন্যুনতম উপাদানগুলিও নাগরিকদের একটা বড় অংশের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। তার মধ্যে যেমন অন্ন-বস্ত্র রয়েছ, তেমনই রয়েছে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য। ফলে এক প্রজন্মের আর্থিক অসাম্য ভবিষ্যত প্রজন্মের বিকাশ সম্ভাবনাকে খর্ব করতে পারে। "বন্ধু" অতিধনীদের চটাতে সরকার রাজি হবে কি না, সে প্রশ্ন অবশ্য ভিন্ন।
জাতির সম্পদের একটি বড় অংশ নির্দিষ্ট ধনী ব্যক্তিদের পকেটে কেন্দ্রীভূত হয়েছে এটাই সত্য। দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি সত্ত্বেও ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য প্রতিদিনই প্রসারিত হচ্ছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় দরিদ্র লোকদের দেওয়া মজুরি খুব কম, এবং অভিবাসী শ্রমিকদের দুর্দশার কথা যত কম বলা যায় ততই ভাল। আয়ের হার স্ল্যাব প্রায় এক দশক ধরে স্থির রয়েছে। মধ্যবিত্ত এবং বেতনভোগীরা তাদের অতি ধনী সমকক্ষদের তুলনায় অবিলম্বে তাদের কর পরিশোধ করে। এছাড়াও সরকারের জন্য জিএসটি রাজস্ব আসে জনসংখ্যার নীচের অর্ধেক থেকে যখন এটি ধনী ব্যক্তিদের থেকে মাত্র 3
এটি একটি অত্যন্ত খারাপ অর্থব্যবস্থা। ধনী আরও ধনী হচ্ছে এবং গরিব আরও দরিদ্র হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থী।
এটি একটি বিপজ্জনক প্রবণতা এবং বন্ধ করা প্রয়োজন। ধনীদের তুলনায় দরিদ্ররা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে উচ্চ কর প্রদান করছে, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং পরিষেবাগুলিতে বেশি ব্যয় করছে। সময় এসেছে অতি ধনী ও ধনীদের থেকে আইন করে কর নেওয়া। অতি ধনীদের ট্যাক্স অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে অনেকটাই সাহায্য করবে।
ভারতই প্রথম দেশ যেখানে "কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি" (সি এস আর) -কে আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভারতের সব সংস্থাকে তাদের মুনাফার একটি অংশ সি এস আর-এ ব্যয় করতে হয়। অথচ বিশ্বের অনেক দেশেই তেমন কোনও আইন না থাকলেও, প্রচুর পরিমাণে কল্যাণমূলক ব্যয়ের পরম্পরা আছে অতি ধনীদের মধ্যে।ভারতে এক দিকে বাধ্যতামূলক সি এস আর, অন্যদিকে কর্পোরেট মুনাফায় কর বাড়ানোয় অনীহা। আর্থনীতিক অসাম্য কমানো যদি উদ্দেশ্য হয়, সি এস আর কিংবা জনহিতৈষী দাতব্য কখনও করের বিকল্প হতে পারে না। তাই সি এস আর আইন নিয়ে তেমন আপত্তি হয়নি, কিন্ত কর্পোরেট কর বাড়ানোর সদিচ্ছা কোনও সরকারই দেখায় না। ধনকুবেরদের থেকে কর আদায় করলে আমাদের লজ্জাজনক আর্থিক অসাম্য কিছুটা কমে। কিন্ত বাজারের বা রাজনীতির ব্যাপারী - দু'পক্ষের কাছেই এই নীতি অস্পৃশ্য।বস্তুত, ২০১৯ সালে বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়ার অজুহাতে কর্পোরেট করের হার কমিয়ে ফেলা হয়েছিল, এবং তার ফলে ২০১৯-২০'তে কর্পোরেট কর বাবদ সরকারের আয় কমেছিল এক লক্ষ কোটি টাকা। বুঝতে অসুবিধা হয় না, এই পরিমাণ টাকার ফাঁক কর্পোরেট ফিলানথ্রপি বা স্বতঃস্ফূর্ত দান প্রদানের সদিচ্ছা দিয়ে ভরানো যায় না। আসলে কর্পোরেট ফিলানথ্রপির কোনও প্রয়োজন নেই যদি প্রতিষ্ঠানের হিসেবের খাতাপত্র স্বচ্ছতার সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়। রাজনৈতিক নেতাদের সংস্পর্শে এসে তাদের ভোটে জেতার টাকা জুগিয়ে গেলে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ গরিব মানুষকে ঠকিয়ে ব্যবসায় মুনাফা লুট করে সংখ্যালঘু কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিলিয়নেয়ার হবার এটাই অন্যতম এবং বোধহয় একমাত্র চাবিকাঠি। চুলোয় যাক দেশের সার্বিক অর্থনীতির দুরাবস্থা। ক্ষমতায় আসীন দেশের রাজনৈতিক শাসকদল একেবারেই "স্পিকটি নট"।

No comments:
Post a Comment