মা রিমঝিম,
আজকের আনন্দবাজার (আমি e-paper-এর কথা বলছি, http:/paper.abp.in) পড়ে জানলাম যে আর জি কর কান্ডে ডাক দেওয়া তোমার আবেদন, রাজ্যের, এমনকি দেশের সীমারেখা ছাড়িয়ে সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারে আছড়ে পড়েছে। দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া দিল্লি, মুম্বই, পুণে, পাটনা, ঝাড়খণ্ড...ছাড়াও আমেরিকার বস্টন, আটলান্টা, সানফ্রানসিসকো বে এরিয়ার ডাবলিন, ইউরোপের ক্রাকোভ, এডিনবরা, ..... এইসব জায়গার ডাক্তার ছাত্র-ছাত্রীরা এবং পেশাদার ডাক্তাররা এই ঘটনাকে ধিক্কার জানিয়েছে।
এতটা ব্যাপ্তি পাওয়ার কারণ যেটা আমার মনে হয়েছে তা হ'ল তোমার আবেদনের কন্ঠস্বরে কোথায় একটা অখন্ডনীয় যুক্তির স্বচ্ছতা ছিল, ছিল আবেগহীন সত্যের দৃঢ়তা। সেটা যে কোনও সিরিয়াস মানুষের পক্ষেই উপেক্ষা করার উপায় ছিল না। তোমাকে আবার কুর্ণিশ জানাই। আরও একটা কথা বলতে ইচ্ছে করছে সেটাও ব্যক্ত করছি। টেলিভিশনের পর্দার আলোচনায় সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের চিৎকার শুনে মনে হচ্ছে তাঁদের বেশ কিছু মানুষ ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছেন। খবরে থাকাটাই তাঁদের কাজ। উষ্মার তেজ তাঁদের এতটাই উচ্চগ্রামে যে মা দুর্গার অষ্টমী পুজোর ১০৮ টি প্রদীপের স্বল্প কিছু প্রদীপের মতো; যত না আলো দিচ্ছে তার দ্বিগুণ কালি উগরোচ্ছে। আবার ডঃ শান্তনু সেনের মতো তৃণমূল সমর্থক এবং প্রাক্তন সাংসদ, দলের মুখপাত্র পদ থেকে বাদ পড়া সত্বেও দলে থেকেই আর জি করের সদ্য ছুটিতে যাওয়া ডাক্তার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবার সুপারিশ করছেন। হ্যাঁ অবশ্যই ডঃ সেনের কন্যা ঐ কলেজেরই ছাত্রী এবং উনি ঐ কলেজের প্রাক্তনী। তিনি পিতার দায়িত্ব পালন তো করেছেনই, এছাড়াও দলের সুপ্রিমোর রোষানলের তোয়াক্কা না করে ওই দলে থেকেই যথাযোগ্য রাজধর্ম পালন করেছেন। ডঃ সেন, আপনাকে নমস্কার জানাই। কারণ দল ছেড়ে যাওয়াটা কোনও কাজের কাজ নয়। It has been proved again and again that it is like from frying pan to fire.
No comments:
Post a Comment